একক বাদনের সুরে স্মরণে পণ্ডিত ভি. জি. যোগ
আনন্দমেলা ২০২৬
একক বাদনের সুরে স্মরণে পণ্ডিত ভি. জি. যোগ
অনুষ্ঠানটি প্রদীপ প্রজ্বলন ও ছোট একটি উদ্বোধনী ভাষণের মাধ্যমে সূচিত হয়। প্রদীপ প্রজ্বলন করেন একাডেমির কার্যকরী প্রেসিডেন্ট ড. শঙ্কর চক্রবর্তী, ভাইস প্রেসিডেন্ট গায়ত্রী ভট্টাচার্যী এবং এডভোকেট প্রদীপ মজুমদার মহাশয়। প্রদীপ প্রজ্বলনের পূর্বে পণ্ডিত ভি জি যোগের প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করা হয়।
“আনন্দমেলা” একক বাদনের এই অনুষ্ঠানটি মূলত সাংস্কৃতিক সংরক্ষণ, তরুণ প্রতিভাকে উৎসাহ দেওয়া এবং বেহালার জগতে পণ্ডিত ভি জি যোগের অমর কৃতিত্ব স্মরণ করে তাদের কর্মধারা তরুণ প্রজন্মের কাছে তুলে ধরাই লক্ষ্য করেছিল। একাডেমির বক্তব্যে বলা হয়, মঞ্চের পরিবেশই হলো ভবিষ্যৎ শিল্পী গঠনের প্রথম পাঠ; তাই প্রতিষ্ঠান-নেওয়া এই রকম অনুষ্ঠানের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তাপস কুমার পাল একাডেমি অফ মিউজিক এন্ড কালচারাল ফাউন্ডেশন এর কার্যকরী প্রেসিডেন্ট ড. শঙ্কর চক্রবর্তী।
তাপস কুমার পাল একাডেমি অফ মিউজিক এন্ড কালচারাল ফাউন্ডেশন এর ভাইস প্রেসিডেন্ট মাননীয়া গায়েত্রী ভট্টাচার্য।
এডভোকেট মাননীয় প্রদীপ মজুমদার
মাত্র ছয় বছর বয়সী, প্রথম শ্রেণির ছাত্র পূর্বিক মজুমদার কবিগুরুর “আনন্দলোকে” গান পরিবেশন করে অনুষ্ঠানের সূচনা করে। অল্প বয়সেই তার আত্মবিশ্বাসী পরিবেশনা উপস্থিত দর্শকদের বিশেষভাবে আকৃষ্ট করে।
ছোট্ট স্বর্ণদীপ হাজরী বেহালাতে আয় তবে সহচরী গান পরিবেশন করে।
বেহালা বাজিয়ে শোনায় সুপ্তত্তিথা মুখার্জি - রাগ কাফী, তবলা সমীর লাল ঘোষ।
বেহালা শিল্পী অনন্যরূপ হালদার ও রাগ কাফি বাজায় তবলায় সংগত করেন সমীর লাল ঘোষ।
সঞ্জয় রায় - বেহালাতে রাগ বৃন্দাবনী সারঙ্গ বাজায় যা ঝাঁপতালে নিবদ্ধ তবলায় সংগত করেন শ্রী সমীর লাল ঘোষ।
সংস্থার কার্যকরী প্রেসিডেন্ট প্রফেসর ড. শঙ্কর চক্রবর্তী বেহালাতে রাগমালা পরিবেশন করেন। সঙ্গে তবলায় সমীর লাল ঘোষ।
ঐন্দ্রিতা সিনহা -বেহালাতে রাগ ভুপালি, তবলা সমীর লাল ঘোষ
চিরঞ্জীব দে বেহালায় রাগ কলাবতী বাজীয়ে শোনান --তবলায় সহযোগিতা করেন সমীর লাল ঘোষ।
সংস্থার প্রেসিডেন্ট সুভাষ দে নিয়োগী - কাকরু সজনী বিখ্যাত ঠুমরী বেহালাতে বাজিয়ে শোনায়, পরে বিখ্যাত বাংলাগান বাজিয়ে শোনায় , তবলা মদন চক্রবর্তী।
সেতার বাজিয়ে শোনায় অনিন্দিতা শীল রাগ কিরবানি যা ত্রিতালে নিবদ্ধ, তবলায় ছিলেন শ্রীমতী রত্না চ্যাটার্জী
অনুপ কুমার বিশ্বাস -বেহালায় রাগ তিলক কামোদ বায় তবলায় সংগত করেন মঙ্গল দাস।
এস্রাজ বাজান শ্রীমতী মৌমিতা চৌধুরী -- রাগ বিলাবল তবলায় সংগত করেন মঙ্গল দাস।
বেহালা বাজিয়ে শোনায় সৃজন সিনহা রাগ - খাম্বাজ, তবলায় সংগত করেন সমীর লাল ঘোষ।
পাওলি চক্রবর্তী - এস্রাজে রাগ ভৈরব বাজান তবলায় সংগত করেন মঙ্গল দাস।
বেহালা বাজিয়ে শোনায় শাক্যসিংহ মজুমদার - আলাহিয়া বিলাবল তবলায় সংগত করেন মঙ্গল দাস
এস্রাজে শুভ্রা মজুমদার - রবীন্দ্র সংগীত কতবার ভেবেছিনু গান বাজিয়ে শোনায় সঙ্গে তবলায় সংগত করেন মঙ্গল দাস।
দেবশ্রী গোস্বামী এস্রাজে কবিগুরুর তুমি রবে নিরবে এবং এসো এসো আমার ঘরে এসো বাজিয়ে শোনায় তবলায় সংগত করেন মঙ্গল দাস।
আশ্রিকা চক্রবর্তী - বেহালায় রাগ বাজিয়ে শোনায় দেশ (মধ্যলয়) এবং কাফী ধূন বাজায় এবং তবলায় সংগত করেন - মঙ্গল দাস।
মৌমিতা ঘোষ বাজায় রজনী কান্ত সেনের মায়ের দেওয়া মোটা কাপড় সঙ্গে তবলা সঙ্গত করেন মঙ্গল দাস।
সেতার বাজিয়ে শোনায় শ্রী তপন বন্দ্যোপাধ্যায়, রাগ মালকোষ তবলায় সংগত করেন শ্রীমতী রত্না চ্যাটার্জি।
পল্লবিতা চ্যাটার্জী -- রাগ হাম্বীর তবলায় সংগত করেন শ্রী অগ্রদীপ সামন্ত
বেহালাশিল্পী সায়নদীপ কুন্ডু বাজায় রাগ বেহাগ বিলম্বিত লয়ে ধামার তালে নিবদ্ধ ছিল এবং শেষে বাজায় দ্রুত তিনতাল শিল্পী কে তবলা সঙ্গত করেন অগ্রদীপ সামন্ত।
পাওলি চক্রবর্তী - এস্রাজে রাগ ভৈরব বাজান তবলায় সংগত করেন মঙ্গল দাস।
বেহালা বাজিয়ে শোনায় শাক্যসিংহ মজুমদার - আলাহিয়া বিলাবল তবলায় সংগত করেন মঙ্গল দাস
এস্রাজে শুভ্রা মজুমদার - রবীন্দ্র সংগীত কতবার ভেবেছিনু গান বাজিয়ে শোনায় সঙ্গে তবলায় সংগত করেন মঙ্গল দাস।
দেবশ্রী গোস্বামী এস্রাজে কবিগুরুর তুমি রবে নিরবে এবং এসো এসো আমার ঘরে এসো বাজিয়ে শোনায় তবলায় সংগত করেন মঙ্গল দাস।
আশ্রিকা চক্রবর্তী - বেহালায় রাগ বাজিয়ে শোনায় দেশ (মধ্যলয়) এবং কাফী ধূন বাজায় এবং তবলায় সংগত করেন - মঙ্গল দাস।
মৌমিতা ঘোষ বাজায় রজনী কান্ত সেনের মায়ের দেওয়া মোটা কাপড় সঙ্গে তবলা সঙ্গত করেন মঙ্গল দাস।
সেতার বাজিয়ে শোনায় শ্রী তপন বন্দ্যোপাধ্যায়, রাগ মালকোষ তবলায় সংগত করেন শ্রীমতী রত্না চ্যাটার্জি।
পল্লবিতা চ্যাটার্জী -- রাগ হাম্বীর তবলায় সংগত করেন শ্রী অগ্রদীপ সামন্ত
বেহালাশিল্পী সায়নদীপ কুন্ডু বাজায় রাগ বেহাগ বিলম্বিত লয়ে ধামার তালে নিবদ্ধ ছিল এবং শেষে বাজায় দ্রুত তিনতাল শিল্পী কে তবলা সঙ্গত করেন অগ্রদীপ সামন্ত।
বেহালায় আদ্রিতা ঘোষ প্রথমে বিলম্বিত এবং পরে দ্রুত তিনতালে রাগ দেশ বাজায় পরে কীর্তনাঙ্গ ধূন বাজায় এবং তবলায় সংগত করেন মঙ্গল দাস
বেহালা শিল্পী অদ্রীশ নন্দী বাজায় ত্রিতাল এ নিবদ্ধ রাগ ইমন,তবলায় সঙ্গত করেন পণ্ডিত রঘুনাথ নন্দী।
আনন্দমেলা একক অনুষ্ঠান শেষ হয় বাংলা লোক সঙ্গীত দিয়ে। শিল্পী অধ্যাপক সুব্রত নট্ট তার মধুর কন্ঠে পরিবেশন করেন ---প্রথমে গুরু বন্দনা, আমার ভিতরে বাইরে তারপর হরে কৃষ্ণ হরে রাম
তবলায় ছিলেন সমীর লাল ঘোষ ও মঙ্গল দাস।
অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া সকল শিল্পীর পরিবেশনা দর্শক ও পণ্ডিত অতিথিদের কন্ঠে প্রশংসিত হয়। শ্রোতারা বিশেষভাবে মন্তব্য করেন যে বেহালার স্বর-নৈপুণ্য, রাগের গভীরতা এবং তালবেধের স্পষ্ট প্রাসঙ্গিকতা ছিল। অনেকে উল্লেখ করেন যে এই ধরনের একক বাদনের অনুষ্ঠান তরুণ শিল্পীদের জন্য আত্মবিশ্বাস ও অভিজ্ঞতা অর্জনের মূল্যবান মঞ্চ সরবরাহ করে।
Comments